সোমবার ২০ নভেম্বর ২০১৭ || সময়- ৮:২৮ pm
স্বশিক্ষিত নয় সুশিক্ষিত হোন

স্বশিক্ষিত  নয়  সুশিক্ষিত  হোন  এবং  জাতিকে  গড়ে  তুলুন

 

 

স্বশিক্ষিত নয় সুশিক্ষিত হন জাতিকে গড়ে তুলুন ।

 

সালাহউদ্দীন বাবু

 

( অসম্পাদিত )                            ৯ ই নভেম্বর ২০১৩ খ্রীষটাব্দ

 

শিক্ষাজনের জন্য উৎসাহিত এবং আমাদের সামাজিক ভাবে প্রচলিত তত্বাবধানের সময় কালীন বিভিন্ন ব্যবস্হা নিয়ে ,এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদন আমি স্বউদ্যোগে পরিবেশ ,পরিস্হিতি ,অবস্হান ,সহ সামগ্রিক বিষয়াদি র উপর সরেজমিন তথ্যাদী সংগ্রহ করেছি ।সন্তানদের সুশিক্ষিত করার জন্য তথা পড়ালেখায় উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আমরা সাধারনত যেসব ফিডব্যাক দিই সেগুলোর সার সংক্ষেপ উল্ল্যেখ করলাম ।অন্যদিকে ঐধরনের ফিডব্যাক কোমলমতি সন্তানদের মানসিকভাবে যে, ম্যাসেজ সৃষ্টি করে তার প্রভাব পযালোচনা পূবক ফলাফলের ভিত্তিতে আমার মতোন করে আলোকপাত করলাম ।যা একান্তই আমার ধারনা তবে আনুমানিক চারশত বিরানব্বই .টা পরিবারের সহস্রাধিক অভিবাবক এবং  বারোশতাধিক অধ্যায়নরত, শিক্ষাথীদের মতামতের ভিত্তিত ।প্রাসঙ্গিক যে বিভিন্ন পেশার আড়াই সহস্রাধিক অভিবাবকের মতামতের ভিত্তিতে ।

 

আমার আলোকপাতের উদ্দ্যেশো ও মূল লক্ষ্যই হলো সন্তানদের মেধার বাস্তবধমী ব্যবহারের মাধ্যমে নিজ ,পারিবারিক ,সামাজিক ,অথ্যাৎ সামগ্রিক ভাবে জাতিকে যথাযথ পৌছানোর জন্য এই লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করলাম শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট সকলকে সহায়তা পেতে পারেন এই ধারনার হতে ।আমার লেখনীর ব্যাপারে যে. কোনো ব্যক্ত্যির মতামত সাদরে গ্রহন করবো এবং অনুমতিসাপেক্ষে মন্তব্য কলামে প্রকাশ করবো ।শত হচ্ছে মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে ভুল তথ্য বা ব্যক্তিগত বিরূপ মনোভাব, বা অহেতুক আলোকপাত ,নেয়া হবে না ।কারন এই প্রতিবেদন মেধা বিকাশের ক্ষেত্রে মানসিক প্রস্তুতির ক্ষেত্র সমূহ বাস্তবধমী করার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখার উদ্দ্যেশে প্রকাশিত ।

 

ইনফরমেশন ওয়াল্ড বিডি অনলাইন নিউজ পোটাল আমার পরিচালনা ও সম্পাদনায় সমাজ ও জাতির কল্যানথে স্বেচ্ছাসেবী ,সত্যের পক্ষে এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় যথাযথ ভূমিকা রাখার জন্য

 

প্রকাশ করা হয় ।উপোরোক্ত প্রতিবেদনটা উক্ত প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্রে প্রকাশের জন্য তৈরী বটে ,তবে যে কেউ বা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে প্রকাশ ও প্রচার এবং ব্যবহার করতে পারেন ।উল্ল্যেখ্য প্রতিবেদকের নাম সমেত করার জন্য বিনয়ের সাথে অনুরোধ থাকলো ।ধন্যবাদ ।

 

 

 

স্বশিক্ষিত –শুধুমাত্র নিজ আথিক স্বচ্ছলতা অজনের জন্য শিক্ষাকে ব্যবহার ।

 

শিক্ষা অজনের জন্য কোমলমতি শিক্ষাথীদের উৎসাহিত করতে আমরা অভিবাবকবৃন্দ সব সময় সতক ,সচেষ্ট ,আন্তরিক ভাবে নিঃস্বাথ ভাবে নিজকে নিয়োজিত রাখেন ।এসময় আমরা শিক্ষাথীদের কতক ফিডব্যাক বেশ কাযকর আবার কতক গুলো হিতে বিপরীথ হয় বলে আমার ধারনা ।তাই এক্ষেত্রে যথাযথ ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে বিভিন্ন ফিডব্যাক সহ সংশ্লষ্ট বিষয়াদী নিয়ে আলোকপাত করলাম ।

 

             ১ – শিক্ষার প্রাতিষঠানিক ধাপ পার হয়ে শুধুমাত্র    আথিক সঙ্গতি থাকার নিশ্চয়তা দিচ্ছে বা আছে এমন সব বিষয় নিয়ে পড়াশুনা বা অধ্যায়ন করা যা পাঠ্যক্রম শেষে নিদিষ্ট পেশায় চাকুরী সুনিশ্চিত য়তা দেয় ।

 

২ -   যখন কোনো নিদিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষে নিদিষ্ট পেশায় চাকরীর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে করা হয় সেটাই  স্বশিক্ষিত ।

 

ক --- বিদ্যাজনের মূল উদ্দ্যেশো ও লক্ষ্য হলো শিক্ষাক্রম শেষে সুনিশ্চিত পেশার মাধ্যমে জীবন যাপনের ক্ষেত্রে আথিক স্বচ্ছলতার গ্যারান্টি ।

 

খ  - - -এখানে আথিক ব্যাপারটাই মূখ্য ।

 

গ  - - - শিক্ষা কে পণ্য হিসেবে ব্যাবহার করে আথিক লাভবান হওয়া ।

 

ঘ  - - - পেশায় নিয়োজিত হওয়ার সাথে সাথে শিক্ষার ব্যবহার বন্ধ হয় এবং পেশায় শিক্ষার একশতাংশে প্রদত্ত নিয়ম নীতি ব্যবহার করে পেশার দৈনন্দন কাজ শেষ করাহয় ।ফলে শিক্ষার নিরানব্বই শতাংশ অব্যবহৃত থেকে নষ্ট হয় ।

 

সমাজের প্ররোচনা

 

 

 

 

 

ভুল ধারনা হতে সমাজ কতিপয় অশিক্ষিত ব্যক্তির জীবন যাপনের অবৈজ্ঞানিক গাইড লাইন দেন ।যা  আস্তে আস্তে সমাজ কে চিরতরে পঙ্গু ও ধ্বংস করে দেয় ।নীচে অপরিপক্ক বয়সের মানুষের  প্রভাব বিস্তার নিয়ে সংক্ষেপে আলোকপাত করছি ।

 

ক * শিশু বয়স হতে বিশ্ববিদ্যালয় অবধি অধ্যায়নরত সময়ে শিক্ষাথীকে  অধিকাংশ অভিবাবকবৃন্দ  প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে সমবয়সী অন্যদের সাথে সব ব্যাপারেই তুলনা করে হেয় প্রতিপন্ন করতো বা করার অপপ্রয়াস ছিলো সাবক্ষনিক রুটিন ।তুলনা বাদ দিয়ে শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে ধমীয় মতবাদ ও সমাজের প্রয়োজনীয়া ,ব্যক্তিজীবনে ব্যবহার ,পারিবারিক ,সামাজিক ও জাতিগত ক্ষেত্রে শিক্ষার প্রয়োজীয়তা বনণা করা ।শিক্ষাথীদের মানসিক বিকাশ ও আলোচ্য বিষয়াদী উপস্হাপন করতে হবে ।অথ্যাৎ যার উদ্দেশ্যে বলা হচ্ছে তার উক্ত ফিডব্যাক সহজ ও সাবলীল ভাষায় বুঝাতে হবে ।কারন এসব ফিডব্যা সুদূর প্রসারী প্রভাব থাকে ।

 

শিক্ষা ব্যতিত জীবন যাপন কিভাবে সামগ্রিক ভাবে বিরূপ প্রভাব বিস্তার করে সেটার গুরুত্ব সহ আনুসাঙ্গীক ফলাফল সম্পকে শিক্ষাথীদের ফিডব্যাক দিতে হবে অভিবাবকবৃন্দকে ।

 

শিক্ষামূলুক বিভিন্ন অনুষ্ঠান তা  ইলেকট্রিক মিডিয়া ,প্রিন্ট মিডিয়া ,নাটক,গান,কবিতা,হাস্যরস যেভাবে হোক সৃজনশীল হলে সেগুলো উপভোগ পূবক ফিডব্যাক ম্যাসেজ নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রয়োজনে শিক্ষাথীর মানসিক অবস্হা বিবেচনা করে আলোচনা করা যায় ।

 

ভালো আর মন্দ যে কোনো কিছু উপলব্দি করতে একমাত্র শিক্ষাই প্রধান ও অন্যতম উপাদান তা সহজ ভাবে বিভিন্ন উপায়ে  বুঝাতে হবে ।

 

শিক্ষা ছাড়া মানুষ পশুর সমতূল্য তা বললে হবেনা কিভাবে তাকে তার মতোন করে বুঝাতে হবে ।

 

জীবন যাপনের ক্ষেত্রে শিক্ষার গুরুত্ব সহজ উপমা দিয়ে বলুন ।যেমন নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে শিক্ষার ব্যবহার শিক্ষাথীকে দেখান ও বুঝিয়ে বলুন ।

 

শিক্ষায় উৎসাহিত করতে যুক্তিনিভর উপমা দিন অযৌক্তিক উপমা দেবেন না ।যেমন অমুক এরকম তুমি এরকম না বলে তার মেধার প্রশংসা করে বলুন ,তুমি পারবে এটা আমার বিশ্বাস কারন সবাইতো পারছে ।পরিচিত কারো নাম ব্যবহার করে তুলনা দিয়ে বলা হলে শিক্ষাথীদের মাঝে অহমবোধের সৃষ্টি হয় এবং যার নাম ব্যবহার করা হয় তার প্রতি মনেমনে হিংসা বিদ্বেশ দেখা যেতে পারে অকারনে ।তাই এই ব্যাপারে সতক হতে হবে ।

 

বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে তা খেলা হোক বা অন্য কিছু হোক শিক্ষার ব্যবহার হয় সেগুলোর প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে ।

 

শিক্ষাথীর মতামতকে গুরত্ব দিতে হবে ।তার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনুন ও পযালোচনা করে সঠিক মতটি নিবাচন করুন ।মতামতটির প্রয়োজনীয়তা শিক্ষা ক্ষেত্রে চিভাবে স্হান পেলো ও বাতিলকৃত আলোচ্য বিষয়াদী নিয়ে ও বাতিল হলো অথ্যাৎ উভয় সিন্ধান্তের সুফল কুফল আলোচনা করুন ।এভাবে ফিডব্যাক দেবেন ।

 

শিক্ষাথীর মতামত দেয়ার সময় এটা তার অধিকার বুঝতে দিন তবে ভুলধারনা বলে বাতিল করার কারন জানান ।শিক্ষাথীর মতামত দেয়ার সময় তাচ্ছিল্য মনোভাব অভিবাবকদের সবসময় পরিহার করতে হবে ।

 

শৈশবকাল হতে সাবক্ষনিক শিক্ষা একটা অধিকার,বিজ্ঞান সম্মত পদ্ধতি,একটা প্রধান উপকরন শিক্ষাই সত্য এগুলো চীরস্হায়ী মানসিক ম্যাসেজ হিসেবে থাকার জন্য  সহজতম ফিডব্যাক তৈরী করে শিক্ষাথীকে দিন ।

 

ধামীক ,সময় জ্ঞান ,সামাজিক রীতিনীতি ,সদাচরন ,দায়ীত্ব জ্ঞান ,কতব্য পরায়ন , সহযোগিতাপূন্ন মনোভাব ,সহনশীলতা এসব গুন সম্পকে শিক্ষাথীকে সাবক্ষনিক অবহিত ও এগুলোর ব্যবহার করতে ও করাতে সচেষ্ট থাকা অভিবাবকবৃন্দের প্রধান ঊদ্দেশ্য ও মূল লক্ষ্য হতে হবে ।

 

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাথী ও অভিবাবকবৃন্দের সমীপে বিনীত নিবেদন

 

সংবেদনশীল এক বিষয় নিয়ে আলোকপাত করছি ।যা এই প্রতিবেদন তৈরীর সময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাথীরা এবং অভিবাবকবৃন্দ আমার সাথে একমত পোষন করেছেন ।তাদের মতামত ও আমার মতামতের সংমিশ্রনে এবং বিশেষত আমার মতাধিক্য সমপাদনা করে ব্যক্ত করছি ।

 

অমুকের ছেলে ডাক্তার ,সমুকের মেয়ে ইন্জিনিয়ারিং বা বিভিন্ন বিষয়ে অধ্যয়ন করছে আর তুমি কিছুই করতে পারছোনা ।ওদেরও তোমার মতো দুটি চোখ বা মানুষ আর তুমি রসাতলে ।এতো টাকা খরচ ,এতো মাষ্টার দিলাম কোনো লাভ হলো না ।তুমি রিক্সা ,ঠেলা গাড়ী চালাও গিয়ে ।তোমাকে দিয়ে কিছুই হবেনা শুধু শুধু ।

 

অমুকও তোমার সাথে পড়ে যাও তার গু মূত খাও ।এগুলোতো শিক্ষাজীবনে অভিবাবকদের মধ্যে শিক্ষাথীদের দেয় বহূল প্রচলিত ধিক্কারমূলুক ফিডব্যাক ।

 

অথচ শিক্ষাথী কি পড়তে চাইছেন ,তার কোন বিষয়ে আগ্রহী বা কোন বিষয় নিয়ে পড়াশুনায় সে উন্নতি করতে পারবে এই মতামত নেয়া হয়েছে বা এমন শিক্ষাথী পাওয়া দুরূহ ,দুষ্কর , ।

 

 

 

অন্যদিকে শিক্ষাথীদের অভিবাবক মনোনীত বিষয়ে পড়াশুনা করতে উৎসাহিত নয় অঘোষিত আদেশ দেন ।পেশার ব্যাপারে সামাজিক ব্যাপারে তার মতামত শ্রেষঠ এটা তার অভিজ্ঞতা বলে অনেকটা শিক্ষাথীদের আবেগজনিত ব্ল্যাকমেইলং করেন বলে প্রকাশ যা অদূরদশী ,হঠকারী ,অনুপযোগী,পুরোপুরি ব্যথ এক সিন্ধান্ত শিক্ষাজীবনে অন্ধকার আনে বিশেষত যবনিকাপাত ঘটায় ।

 

নবম শ্রেনীতে এই অধ্যায়ের প্রথম ধাপ বিষয় নিবাচন ।এখানে বিষয় নিবাচনে মতামত একটা গুরুত্বপূন বিষয় ।এসময় যদি অনিচ্ছাকৃত কোনো মতের বাস্তবায়িত হয় আর সেটা অনভিপ্রেত হলে মারাত্মক বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় শিক্ষাজীবনে ।

 

এসময় এধরনর ফলাফল সাময়িক পরবত্তিতে ঠিক হয়ে যাবে এই ভুল ধারনা অনেকে পোষন করেন বা বিশেষ তত্বাবধানের মাধ্যমে শিক্ষাথীকে তিনি বা তারা গড়ে তুলবেন মতামত ব্যক্ত করেন ।এক্ষেত্রে পরবততী ফলাফল একেবারে হতাশাজনক হয় ।এতে শিক্ষার গতির ব্যাঘাত ঘটে এক অস্বাভাবিক সমস্যার সৃষ্টির করে যা হতে উত্তরণের পথ বন্ধ হয়ে অনাকাঙ্খিত দূরাবস্হায় পড়ে ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয় ।।

 

এ অবস্হা বুঝা সহজ । বিজ্ঞান বিষয় নিবাচন করার ক্ষেত্রে ।ডাক্তার ,ইইন্জিনিয়ার পেশার জন্য বিজ্ঞান বিষয় বাধ্যতামূলুক ।এসময় মেধা বা পারিপাশ্বিক বিবেচনা না করে আবেগতাড়িত  হয়ে বিষয় নিতে বাধ্য করা হয় ।ফলে শিক্ষাথী উক্ত বিষয়ে যথাযথ শিক্ষা অজনে ব্যথ হলে তার লক্ষ্যচ্যুতি  হওয়ায় বিপাকে পড়ে, ।মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায়  প্রাপ্ত ফলাফলের  জন্য যদি আবেদন অযযোগ্য হয় বা নিবাচনী পরীক্ষায় অকৃতকায হয়ে সবনাশ নেমে আসে । ।এক্ষেত্রে মারাতমক বিপযয় হয় ।

 

শিক্ষাথীরা মনক্ষন্ন হন ।

 

প্রাসঙ্গিক এটা যারা বিজ্ঞান বিভাগের অন্য  বিষয়ে অধ্যয়নের জন্য যেমন অনাস বা পাশকোসের অধ্যয়নের জন্য অথবা বিভিন্ন ডিপ্লোমা কোস করার মানসে যারা পড়েন তাদের জন্য উপরোক্ত ফিডব্যাক

 

প্রযোজ্য নয় ।

 

সোজাসাফটা অনুরোধ হচ্ছে শিক্ষাথীর মতামতকে প্রাধান্য দিতে ও আবেগতাড়িত ও একরোখা মনোভাব  পরিহার করে  মেধা আগ্রহ বিবেচনা করে সময়পযোগী সিন্ধান্ত  নিয়ে বিবেকবান হতে হবে ।

 

অন্যের মতামত কে প্রাধান্য দিতে  তবে অকাট্য মতামত গ্রহন জ্ঞানীর পরিচয় ।

 

 

 

 

 

 *

 

 

 

খ  * ধরুন আপনি পরীক্ষায় যাই ফলাফল করুন না কেনো অন্যের সাথে তুলনা হলো সাধারন ব্যাপর ।এমনকি খেলাধূলা হতে সব ব্যাপারে এটা প্রাসঙ্গিক । *

 

গ * আপনি পরীক্ষায় শতে শত নাম্বার পেলে বা এক নম্বর কম পেলেতো কথাই নেই ।অমুক এরকম ,ওর গৃহশিক্ষক নেই ,অমুকের চেয়ে তোমাকে সব কিছুতে বেশী সুবিধা দেই তারপরেও এঅবস্হা ,ও অমুক প্রতিষ্ঠানে পড়ে আর তুমি ,তোমাকে দিয়ে হবে না ,অমুকের মলমূত্র খাও এসব বাক্য অভিবাবকরা হরহামেশা করেন ।এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয় ,হচ্ছে ,হবেই ।  *

 

ঘ  *  পযায়ক্রমে উচ্চ মাধ্যমিক হতে শুরু হয় নিদিষ্ট পেশায় নিযুক্তুর জন্য নিদিষ্ট বিষয়ে পড়ার জন্য মানসিক চাপ ।এসময় ফিডব্যাক হিসেবে তারা বলেন ,আমার জীবনের সুখ ও উন্নতির জন্য বলা হচ্ছে । ঙ *  প্রাসঙ্গিক হচ্ছে এক্ষেত্রে আমার মতামত নিষ্প্রয়োজন । মেধার অবস্হান দেখেন না ,বিষয়টা তারা আইন বা প্রথার মতো মনে করে চাপিয়ে দেন যা অনভিপ্রেত ।কিন্তু আমার বয়স কম তাই আমি বুঝবোনা অভিপ্রায় ব্যক্ত করে নিজ মতামতের পক্ষে প্রতিরক্ষা দেখান । *

 

চ *  শিক্ষা কাযক্রম চলাকালে আথিক ও সামাজিক দায়ীত্ব তারাই পালন করেন তাই আমি নিরুপায় । *

 

ছ  * এধরনে আরো অনেক ব্যাপার আছে মানসিক বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে । *

 

আমার অধিকার

 

 

 

·         শুনতে খারাপ লাগছে নিশ্চয় সবার ।সত্যিকার অথে আমি বলতে চাচ্ছি ,আমার অমুক বিষয় পড়তে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি ,ভাল লাগে ,আগ্রহী ।আমি এ বিষয়ে ভালো করবো ।*

 

·         আমি অনেক চেষ্টা কেরেছি এই বিষয় আমার দূবলতা প্রচুর ।বিষয়টা বাধ্যতামূলুক বিধায় বিশেষ তত্বাবধানে পারতে পারি ।

 

·         সংসকৃতি বিষয়ে আমার আস্হা ও ভরসা আছে  আমি এ পেশায় জীবন যাপন করতে পারবো ।অমুক বিষয়ে উত্তিণ হবো কিন্তু পেশাগত উন্নয়ন থেমে যাবে ।

 

·         আমার মত জানাতে দাও আপনাদের সাথে আলোচনার পরিপ্রক্ষিতে  সিধান্ত নেয়া হবে ।

 

·         অভিবাবক প্রসঙ্গ

 

 

 

সমাজে স্বীকৃত অভিবাবকগন বাস্তবতার ফলে অভিজ্ঞ ।তারা সব সময় সুপরামশ দেন ।তারা আমার ভবিষ্যত জীবনে সব পরিস্হিতি মোকাবেলা করে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য গাইড লাইন দেন ।যা স্বাভাবিক ।আমি প্রানী জগতের মধ্যে দেখা যায় পারিবারিকভাবে জন্মদাতা ,জন্মদাত্রীরা বা অভিবাবক গন আললাহর আদশে প্রাকৃতিক নিয়মে খাদ্য সংগ্রহ ,সংরক্ষন ,ব্যবহার  এবং পরবত্তি ভবিষ্যত জীবনে বেচে থাকার সব কিছুই শিখান বাস্তব সম্মত সহজ উপায়ে ।মানুষ সৃষ্টির সেরা ।তাই গাইড লাইন গুলো পালন করা অপরিহায ।