শনিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৭ || সময়- ৩:১৫ pm
বাংলাদেশকে ৬টি অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য জাইকা দেবে ১৭৮.২২৩ বিলিয়ন ইয়েন

ইনফরমেশন ওয়াল্ড অর্থনীতির নিউজ ডেক্স
চট্টগ্রাম:---ঢাকা, ২ জুলাই, ২০১৭ (বাসস) : বাংলাদেশ ছয়টি অবকাঠামো প্রকল্পের জন্য জাপানের ওডিএ ঋণ হিসাবে মোট ১৭৮.২২৩ বিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ১.৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) পাবে।
জাইকা জানায়, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) গত ২৯ জুন এই ঋণ প্যাকেজের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তিগুলো স্বাক্ষর করে।
এই ছয়টি প্রকল্প হচ্ছে- (১) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প(১) (ঋণের পরিমাণ ৭৬.৮২৫ বিলিয়ন ইয়েন), (২) কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতি দ্বিতীয় সেতু নির্মাণ ও বর্তমান সেতু সংস্কার প্রকল্প (II) (ঋণের পরিমাণ ৫২.৭৩ বিলিয়ন ইয়েন), (৩) ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্প (লাইন ১ (ই/এস) (ঋণের পরিমাণ ৫.৫৯৩ বিলিয়ন ইয়েন, (৪) মাতারবাড়ী আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড-বিদ্যুৎ প্রকল্প (III) (ঋণের পরিমাণ ১০.৭৪৫ বিলিয়ন ইয়েন), (৫) ঢাকা আন্ডারগ্রাউন্ড সাবস্টেশন নির্মাণ প্রকল্প (ঋণের পরিমাণ ২০.৪৭৭ বিলিয়ন ইয়েন) ও (৬) ক্ষুদ্র আকারের পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়) (ঋণের পরিমাণ ১১.৮৫৩ বিলিয়ন ইয়েন)।
একটি নতুন আন্তর্জাতিক যাত্রী টার্মিনাল, কার্গো টার্মিনাল ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে বিমানবন্দরের সক্ষমতা, অনুকূল পরিবেশ ও নিরাপত্তার উন্নয়নের জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প(১) বাস্তবায়ন করা হবে।
বর্তমান ঢাকা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের পাশে দ্বিতীয় নতুন কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতি সেতু নির্মিত হলে পরিবহন সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং এতে সেতুর নিরাপত্তাও বাড়বে।
ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্প (লাইন-১) (ই/এস) ঢাকার যানজট পরিস্থিতির উন্নয়ন ও বায়ু দূষণ হ্রাসে সহায়ক হবে।
মাতারবাড়ী আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল-ফায়ার্ড বিদ্যুৎ প্রকল্প (III) ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মোকাবেলায় সহায়ক হবে এবং এটি বাংলাদেশে গ্রীন হাউস গ্যাস নির্গমন কমাবে।
ঢাকা আন্ডারগ্রাউন্ড সাবস্টেশন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ঢাকায় দুই আন্ডারগ্রাউন্ড সাবস্টেশন নির্মিত হবে।
ক্ষুদ্র আকারের পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) লক্ষ্য হচ্ছে ক্ষুদ্র আকারের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৃষি ব্যবসা সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও গ্রামীণ অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য অবকাঠামোগত সহায়তার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি।