বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ || সময়- ৩:১৩ pm
নীলফামারীতে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে পাটের আবাদ

ইনফরমেশন ওয়াল্ড কৃষি নিউজ ডেক্স
চট্টগ্রাম:-----নীলফামারী, ৯ জুন, ২০১৭ (বাসস) : জেলায় কৃষি বিভাগের লক্ষ্যমাত্রার অধিক পাটের আবাদ হয়েছে। পাটের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং ভালো মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা পাঠ চাষে আগ্রহী হচ্ছে বলে কৃষি বিভাগ জানায়।
কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, জেলার ছয় উপজেলায় এবার ১০ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ ১২ হাজার ৮৪৫ বেল (প্রতি বেল ৫ মণ)।
সেখানে ওই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে পাটের আবাদ হয়েছে ১০ হাজার ৪৬০ হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় উৎপাদনের ওই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছে কৃষি বিভাগ।
সূত্র জানায়, জেলায় দেশী ও তোষা জাতের পাটের আবাদ হয়ে থাকে। দেশী জাতের পাট প্রতি হেক্টরে প্রায় ১০ বেল এবং তোষা জাতের পাট প্রতি হেক্টরে ১১ বেল উৎপাদন হয়। বালি মাটি ছাড়া সব ধরণের মাটিতে পাটের আবাদ হয়। এ অঞ্চলের বেশীরভাগ আবাদি জমির মাটি দোআশ এবং বেলে দোআশ হওয়ায় পাট চাষের আরো উপযোগী। এলাকায় উৎপাদিত পাটের আঁশ উন্নত মানের হওয়ায় দেশের বিভিন্ন বাজারে এ এলাকার পাটের চাহিদা রয়েছে। গত বছর জেলায় ১০ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে ১ লাখ ৭ হাজার ৯০৬ বেল পাট উৎপাদ হয়েছিল।
জেলার ডোমার উপজেলার জোড়াবাড়ি গ্রামের কৃষক হিরম্ব কুমার রায় বলেন,‘পাটের আবাদ একবারে ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন চাহিদা দেখা দেয়ায় এবছর এক বিঘা জমিতে আবাদ করেছি। উৎপাদিত পাটের সঠিক দাম পাওয়া গেলে আগামীতে আরো বেশী আবাদ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’
জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া গ্রামের ইউনূছ আলী বলেন,‘গত বছর ২ বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করে দাম পাওয়ায় এবারে তিন বিঘা জমিতে আবাদ করেছি।’ আগামীতে আরো বেশী আবাদের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক গোলাম মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, গত বছর বাজারে প্রতিমণ পাট ১ হাজার ৮শ’ শেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি করতে পেরেছে কৃষকরা। এবারেও প্রতি মণ ২ হাজার টাকার ওপরে বাজারে বিক্রি হচ্ছে।
তিনি বলেন, কেবলমাত্র বেলে মাটি ছাড়া সব ধরণের মাটিতে পাটের আবাদ হয়। এবারে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় আবাদ ভালো হয়েছে। সে হিসেবে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। বাজারে দাম বেশী পাওয়ায়