সোমবার ২২ জানুয়ারী ২০১৮ || সময়- ৯:২৯ pm
বিকাশ লিমিটেডের প্রায় তিন হাজার এজেন্ট হিসাবের বিষয়ে তদন্ত করতে সিআইডি

ইনফরমেশন ওয়াল্ড অর্থনীতির নিউজ ডেক্স
চট্টগ্রাম:---মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান বিকাশ-এর তিন হাজার এজেন্টের ‘অনিয়মিত’ লেনদেন তদন্ত করতে সিআইডিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভংকর সাহা বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে একথা জানান।
তিনি বলেন, “বিভিন্ন অনিয়মিত লেনদেনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) কর্তৃক সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বিকাশ লিমিটেডের প্রায় তিন হাজার এজেন্ট হিসাবের বিষয়ে তদন্ত করতে সিআইডিকে অনুরোধ করা হয়েছে।”
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্ল্যা নজরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে বিকাশ লিমিটেডের ২ হাজার ৮৮৭ এজেন্টের ‘অস্বাভাবিক লেনদেন’ তদন্ত করতে অনুরোধ সম্বলিত একটি প্রতিবেদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারা এসব এজেন্টের লেনদেন তদন্ত করে দেখবেন।
এই বিষয়ে বিকাশ লিমিটেডের হেড অব কর্পোরেট কমিউনিকেশন্স শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা এখনও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অফিসিয়াল কোনো নির্দেশনা পায়নি। নির্দেশনা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বিকাশ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশে মোবাইলে আর্থিক লেনদেনের ৭০ শতাংশের মতো হয়ে থাকে। সারাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা কয়েক লাখ এজেন্টের বড় একটি অংশ বিকাশের।
কেন্ত্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র শুভংকর জানান, অন্যান্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের এজেন্টদের বিষয়েও অনুসন্ধান চালানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এক্ষেত্রে বিএফআইইউ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে পাওয়া অনিয়ম, বাংলাদেশ ব্যাংকের রেমিটেন্স হ্রাসের বিষয়ে সম্পাদিত গবেষণা, বিকাশ লিমিটেড থেকে পাওয়া তথ্য, বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া অভিযোগ, আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থা হতে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সিআইডির এক কর্মকর্তা বলেন, এই এজেন্টরা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে লেনদেন পরিচালনা করেননি। তাছাড়া লেনদেনের সময়সূচিও সন্দেহজনক।
একই পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এজেন্টের একাধিক ব্যক্তিগত হিসাব পরিচালনার নজির পাওয়া গেছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।খবর বিডি নিউজের